গত আড়াই বছরে নদীর পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৪টি ডলফিনের মরদেহ। ইঞ্জিন চালিত বোটের আঘাতের পাশাপাশি মূল্যবান চর্বির লোভে চট্টগ্রামের হালদা নদীতে ডলফিন হত্যা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, সম্প্রতি চর্বি সংগ্রহের জন্য একটি ডলফিনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে সংঘবদ্ধ একটি চক্র।
করোনার কারণে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে সব ধরণের কল-কারখানা বন্ধ থাকায় অনেকটাই কমে এসেছে হালদা নদীর দূষণ। এই কারণে নদীতে বিচরণ বেড়েছে ডলফিনের। চট্টগ্রামের স্থানীয় ভাষায় এই ডলফিন ‘শুশুক‘ নামেও পরিচিত। বিশ্বের বিভিন্ন নদীতে গাঙ্গেয় প্রজাতির ডলফিন রয়েছে ১২’শ টির মতো। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার এই ডলফিনকে অতি বিপন্ন প্রজাতির লাল তালিকায় রেখেছে।
২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এই পর্যন্ত আড়াই বছরে হালদা নদীতে ২৪টি ডলফিনের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ গত ৮ মে কেটে ক্ষত-বিক্ষত করে হত্যা করা হয়েছে আরেকটি ডলফিনকে।
হালদা নদী রক্ষা কমিটি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, ইজ্ঞিনচালিত নৌযান, বালুবাহী ড্রেজারের আঘাতে একের পর এক ২৩টি ডলফিনের মৃত্যু হয়েছে। তবে সবশেষ ৫২ কেজি ওজনের ডলফিনটিকে চর্বি সংগ্রহের উদ্দেশে সংঘবদ্ধ একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।
তবে, হালদায় যাতে আর কোনোভাবেই ডলফিনের প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন।
এদিকে, পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের স্বার্থে ভার্চুয়াল রায়ে ডলফিন রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।





