× Banner
সর্বশেষ
৬ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত গ্লোবাল এআই লিডারশিপ কনফারেন্স ২০২৬, প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের আহ্বান সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে নতুন সম্ভাবনা, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে চীন ও রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হাইকমিশনের সঙ্গে কাজ করবে ভারত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ জুডিশিয়াল কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে এইচআরসিবিএম রাষ্ট্র সংস্কার ও সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের দেশের ৭ অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত গত ছয় মাসে ৮২৪টি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত -এইচআরসিবিএম আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকালেই রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায়

আঞ্চলিক প্রতিনিধি

নির্মাণের এক বছর হলেও চালু হয়নি বরিশালের শিশু হাসপাতাল

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
বরিশালের শিশু হাসপাতাল

জনবল নিয়োগ না হওয়া এবং বিদ্যুতের সাব স্টেশন নির্মাণ না করায় নির্মাণের একবছর পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি বরিশালের ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল। এসব কারণে বরিশাল মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে ভবন হস্তান্তর করতে না পেরে বিপাকে পরেছেন ঠিকাদার।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মার্চ মাসে নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকায় নতুন ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালের ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হলেও এখনও হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। হাসপাতালটি চালু হলে পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ। মেডিক্যালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর বলেছেন, নতুন শিশু হাসপাতাল চালাতে প্রয়োজন ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। অথচ একজনও নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এছাড়া নির্মাণ হয়নি বিদ্যুতের আলাদা সাব স্টেশন।

মেডিক্যালের সহকারী পরিচালক রেজওয়ানুর আলম বলেন, শিশু হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডকে বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভবনের কাজ শেষ হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা বুঝে নিচ্ছে না। তাই অবহেলায় পরে থাকায় শিশু হাসপাতাল চালুর আগেই অনেক মালামাল চুরি হচ্ছে।

বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ বলেন, ২০১৭ সালে বরিশাল শিশু হাসপাতালের ভবন নির্মাণ শুরু হয়ে ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথাছিলো। তবে নানা জটিলতায় তা কয়েক বছর দেরি হয়। বর্তমানে বরাদ্দের অভাবে বাকি কাজগুলো করানো যাচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..