শার্শায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে উর্বরতা হারিয়ে ধ্বংসের পথে কৃষি জমির আবাদ

শার্শায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে উর্বরতা হারিয়ে ধ্বংসের পথে কৃষি জমির আবাদ
এম.এ.জলিলঃ শার্শা যশোরঃ- শার্শা উপজেলা প্রশাসনের দোহাই দিয়ে অবৈধভাবে বালি  উত্তোলনের মাধ্যমে প্রায় ১হাজার হেক্টর আবাদী জমি উর্বরতা হারিয়ে ধ্বংসের পথে।
জানা গেছে, যশোরের শার্শা উপজেলার ৬নং গোগা ইউনিয়নের অগ্রভুলোট গ্রামের প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় ইউপি সদস্য তবি।
এলাকাবাসীর নানা অভিযোগ সত্ত্বেও কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই স্থানীয় প্রশাসন ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের ম্যানেজ করেই চালাচ্ছেন বালুর ব্যাবসা। বালু উত্তোলন এরিয়ায় গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত হওয়ায় বালু বহনে ব্যবহৃত যানবাহন (ট্রাকটর, ট্রাক ও ট্রলি) জোর পূর্বক শিশুদের খেলার মাঠে রাখায় শিশুদের খেলাধুলায় ব্যঘাত ঘটান বলে অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষকসহ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
বালু উত্তোলন স্থলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ২টি ড্রেজার মেশিন, পাইপ, ব্যালচা, ট্রলি ট্রাকটর ও উত্তলোনকৃত বালুর পাহাড়।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, বহিরাগতদের দিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে এলাকাবাসীকে জিম্মি করেই গত চারমাস ধরে চালাচ্ছে বালুর ব্যবসা। এ কারনে কৃষি জমি গুলোতে পানির অভাবে শস্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভুমি) জানান, শুনেছি ইউপি মেম্বার বালু তোলে। এ বিষয়ে বারংবার ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় নায়েবকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদি আইন অমান্য করে অবৈধ বালু উত্তোলিত হয় তাহলে দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
অবৈধ বালু উত্তোলনের ব্যপারে ইউপি মেম্বারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ঘটনার সত্যতা জানিয়ে তিনি বলেন ১০/১২দিন ধরে বালু তুলে সরকারী কাজে ঘরবাড়ী করতে দিচ্ছি।
প্রকল্পের নাম জানতে চাইলে তিনি চড়াও হয়ে বলেন আপনাকে এত জবাব দিতে হবে কেন? আপনি ইউপি সদস্য হওয়া স্বত্তেও সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ কাজ করছেন প্রশ্নে সংযোগ কেটে দেন।
গনমাধ্যমের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জনদূর্ভোগসহ কৃষি জমি ধ্বংসের হাত হতে রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকার জনগন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।