দেশে প্রায়োগিক সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। পুরুষদের সাক্ষরতার হার ৬৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ, আর নারীদের ক্ষেত্রে ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ।গ্রামের তুলনায় শহরে এ হার বেশি। পাশাপাশি পুরুষের তুলনায় প্রায়োগিক সাক্ষরতায় নারীরা এগিয়ে রয়েছে।
সোমবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিচালিত সাত বছর থেকে বেশি বয়সীদের ওপর জরিপে প্রায়োগিক সাক্ষরতা নিরূপণ জরিপ ২০২৩’ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
প্রায়োগিক সাক্ষরতা বলতে পড়তে, অনুধাবন করতে, মৌখিক ও লিখিতভাবে বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করতে, যোগাযোগ স্থাপন করতে এবং গণনা করতে পারাকে বোঝানো হয়।
অন্যদিকে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন হলেই সাক্ষর বলা হয়ে থাকে। এবারই প্রথমবারের মতো সাত বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জরিপ করা হয়েছে।
২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জরিপে বলা হয়, দেশের ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের প্রায়োগিক সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
এছাড়া ১৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের ক্ষেত্রে এ হার ৬০ দশমিক ৭৭। এর আগে ২০১১ সালে ১১ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের নিয়ে জরিপ চালানো হয়। সে সময় জরিপে প্রায়োগিক সাক্ষরতার হার ছিল ৫৩ দশমিক ৭০ শতাংশ।
এ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবন মিলনায়তনে সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
বক্তব্য দেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব শাহনাজ আরেফিন, বিবিএস মহাপরিচালক মতিয়ার রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক উত্তম কুমার দাস প্রমুখ।

