ভারত সিএএ, এনআরসি নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। এসময়ে কোন দিক দিয়ে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোন রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন। আর সেই কারণেই নেভি কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার থেকে শুরু করে ন্যাভাল বেসে ফোন ব্যবহার সবকিছুর উপরে চাপাল নিষেধাজ্ঞা।
পুলিশের তরফ থেকে জানা যায়, অন্ধ্রপ্রদেশ সাতজন নৌবাহিনীর অফিসার গ্রেফতার হওয়ার সঙ্গে পাকিস্তানি গুপ্ত সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে। তদন্ত করতে গিয়ে গোয়েন্দারা এক হাওয়ালা চক্রের সন্ধান পেয়েছিলেন যারা দুবাই মডিউলের সঙ্গে যোগ রাখে। তারপরে তদন্ত করতে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমান নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই সাত আধিকারিককে।
গ্রেফতার হওয়া অফিসারদের থেকে জানা জানা যায় ফেসবুকে এক মহালির সঙ্গে তাঁদের আলাপ হয়েছিল। তারপর তাঁদের মধ্যকার কথা বার্তা সামনে আনার হুমকি দেওয়াতে ওই মহিলাদের কথা মত তারা নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাঁদের দিয়ে দিত।
অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন ইন্টার্ন ন্যাভাল কম্যান্ডের তিনজন ওয়েস্টার্ন ন্যাভাল কম্যান্ডের এবং একজন কারওয়া ন্যাভাল বেসে করমরত ছিলেন। অনেক শীর্ষ আধিকারিকেরা শিকার হয়েছে এই হানী ট্র্যাপের।
নৌ বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের তদন্তের ভিত্তিতে উঠে এসেছে এই অপরাধের শিকড় রয়েছে অনেক ভেতর পর্যন্ত। আর সেই কারণেই নৌবাহিনীর তরফ থেকে এইরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।



