আরিফ মোল্ল্যা, ঝিনাইদহ ॥ কালীগঞ্জে মাদ্রাসার হাফেজ পড়–য়া ছাত্র আলআমিনকে গলা কেটে হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখনো কোন ক্লু- উদ্ধার করতে পারেনি কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। তবে এ ঘটনায় প্রশাসনের একটি টিম আড়পাড়া গ্রামের দু’কিশোরকে তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। এদিকে ওই ছাত্রের লাশ উদ্ধারের ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও থানায় কোন মামলা বা কাউকে আটক করতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের ময়না তদন্ত শেষে দুপুরে জানাজা শেষে দাফন এবং বিকালে খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মাদ্রাসার ছাত্র ও এলাকাবাসী শহরের এক মানববন্ধন করে। উল্লেখ্য শহরের আড়পাড়া গ্রামের সাউতাল হেরা ক্যাডেট হাফেজুল কোরআন মাদ্রাসার হেফজ শ্রেনীর ছাত্র আলামিন অপহরনের ৪ দিন পর বুধবার তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
কালীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মতলেবুর রহমান জানান, বুধবার দুপুরে শহরের আড়পাড়া গ্রামে একটি নির্মানাধীন বাড়ির পেছন থেকে মাদ্রাসা ছাত্র আল-আমিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে এখন পর্ষন্ত কাউকে আটকের কথা অস্বিকার করে জানান দোষীদের গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে। তিনি আরো জানান, এ হত্যাকান্ডের মুল রহস্য উদঘাটনে থানা পুলিশ ছাড়াও প্রশাসনের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
এদিকে সকালে নিহত আল-আমিনের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে তার মরদেহ নিজ গ্রামে আনা হলে তাকে একনজর দেখতে মানুষের ঢল নামে। জোহরবাদ জানাজা ও দাফন শেষে বিকালে শহরে মানববন্ধন করা হয়।
মাদ্রাসার ছাত্র ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে খুনীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ, নিহতের পিতা আব্দুর রাজ্জাক সহ গ্রামবাসিরা।
আড়পাড়া গ্রামের গ্রামবাসীরা জানায়, এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মানুষের মাঝে শংকা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই গ্রামের ডালুর ছেলে সাব্বির ও মিল্টনের ছেলে হৃদয় নামে দু’কিশোরকে প্রশাসন ধরে নিয়ে গেছে বলে জানায়। তবে এ আটকের বিষয়ে প্রশাসনের ভাষ্য কোন টিম তাদেরকে নিয়ে গেছে কিনা তা তারা জানেনা।


