মধুখালী প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মছলন্দপুর হিন্দু পাড়ার বসতি মোঃ শরিফুল ইসলাম মছলন্দপুর মালোপাড়ার কালীমন্দিরের জমি দখল করে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংবাদ শুনে রবিবার সকালে গিয়ে জমি দখলের সত্যতা পাওয়া যায়।
জানা যায় ২১-০৯-২০১৯ইং তারিখে দুইপক্ষের সম্মতিক্রমে মন্দিরের জমি ও শরিফুলের বাড়ীর জমি মাপা হয়। তাতে মন্দিরের পশ্চিমে ১১শতাংশ জমির মধ্যে প্রায় ৩ (তিন) শতাংশ জমি পাওয়া যায়।
এক পর্যায় কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুর রহমান বিশ্বাস(বাবু) এর উপস্থিতিতে সালিশ নামা লিখিত হয় । শরিফুল আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তার দখল করা জায়গা থেকে বেড়া সরাইয়া নেবে। অদ্যবধি কোন বেড়া সড়ানো হয়নি বরং সালিশ অমান্য করে সহকারী কমিশনার(ভূমি) মধুখালী বরাবর ৭-১১-২০১৯ইং তারিখে দরখাস্ত দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের জিম্মি করে রেখেছে এবং বলে কিসের জমি পাবে।
তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে আলাপ করে জানা যায় গত শনিবার (১৬-০৫-২০২০)ইং তারিখে মন্দিরের রক্ষনাবেক্ষনের জন্য মন্দিরের জায়গা থেকে গাফ গাছ কাটতে গেলে ভূলবশতঃ খোলা বেড়ার উপর পড়ে গেলে ক্ষতি হবে তার জন্য বেড়া সড়ানো হয়। পরে দুইপক্ষের কথা কাটাকাটি হয় এবং শোর চিৎকার হলে কামারখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুর রহমান বিশ্বাস(বাবু) ও মধুখালী থানার এ. এস.আই মোঃ সালাউদ্দিন ও মোঃ সামসুজ্জামান এবং ইউ.পি. সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম, গ্রাম পুলিশএবং সাংবাদিককে জানানো হলে এদের উপস্থিতিতে দুইপক্ষের আবার সম্মতিক্রমে আগামী ১৬-০৭-২০২০ইং তারিখে শরিফুলের এবং মন্দিরের জমি মাপা হবে তার আগ পর্য›ত কোনপক্ষই কোন প্রকার বেড়া দিতে পারবে না এবং গন্ডগোল করা যাবে না।
এটাই অঙ্গীকার নামা সহি স্বাক্ষর করে সম্পাদন করা হয়। তবে সবার কথা শুনে এবং মাপকাটি দেখে এটাই প্রমানিত হয় যে মন্দিরের প্রায় ৩ শতাংশ জমি শরিফুলের বাড়ীর ভিতরে শরিফুলের দখলে আছে।



