তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ বলেছেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এডুকেশন ৪.০ বা চতুর্থমাত্রার শিক্ষা পদ্ধতি প্রয়োগ করবে বাংলাদেশ। বাঙালি জাতিকে সাহসী ও প্রজ্ঞাবান বলে অভিহিত করে এ সময় ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাঙালি জাতির পক্ষে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ক্যান্টনমেন্টে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) এডুকেশন ৪.০ শিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তন উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে দেশে সর্বপ্রথম এডুকেশন ৪.০ প্রবর্তনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ শিক্ষা পদ্ধতি প্রয়োগে অগ্রপথিকের ভূমিকার জন্য ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। যুগোপযোগী এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য এনডিসিকে সকল সরকারি দপ্তর সব ধরনের সহযোগিতা করবে।’
‘শিল্প ক্ষেত্রে চতুর্থ বিপ্লব বা ইন্টারনেট প্রবর্তনের সাথে সাথে চতুর্থমাত্রার শিক্ষা পদ্ধতি আবশ্যক হয়ে উঠেছে’ বর্ণনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় সতেরো কোটি মানুষের দেশে এখন প্রায় পনেরো কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যাও প্রায় পনেরো কোটি। চতুর্থমাত্রার শিক্ষা পদ্ধতি এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে বিশ্ব অঙ্গনে শুধু তাল মিলিয়ে নিতেই সাহায্য করবে না, নেতৃত্ব দিতেও প্রস্তুত করবে।’
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ২০১৯ এর কোর্স মেম্বার এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশি-বিদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কলেজ সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনিরুল ইসলাম আখন্দ এনডিসিতে এডুকেশন ৪.০ প্রবর্তনের বিষয়ে সকলকে সম্যক অবহিত করেন। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অভ্ প্রফেশনালস (বিইউপি) এর ভাইস চ্যান্সেলর মেজর জেনারেল মোঃ এমদাদ-উল-বারী এডুকেশন ৪.০ এর ধারা এবং সাম্ভাব্যতা শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

