“আমরা পৃথিবীর বুকে চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলিকে কোনোভাবেই সহ্য করব না এবং আমরা এর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছি। আমরা এই শক্তির বিরুদ্ধে একটি ‘চরমপন্থী বিরোধী টাস্কফোর্স’ গঠন করতে চলেছি, যা ভবিষ্যতে ভারতকে সাহায্য করবে।” বলেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
আজ ২২ এপ্রিল শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বরিস জনসন ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে জানান, “সমুদ্রের বুকে ওঠা ঝড়ের মধ্যে ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব হল অনেকটা লাইট হাউসের মত।”
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আমরা মনে করি, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের ভিতরে চলা যুদ্ধ খুব দ্রুত বন্ধ হওয়া দরকার এবং পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানের রাস্তা তৈরি করতে হবে।” এ ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রতি সমালোচনার সুরেবলেন, “রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের হাতে এক বিশাল সেনা রয়েছে। তবে এত কিছু সত্ত্বেও তিনি কখনোই ইউক্রেন দেশবাসীর আবেগকে জয় করতে পারবেন না।”
বরিস জনসনের দুই দিনের ভারত সফরে তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য যে ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো দৃঢ় করা, সে বিষয়ে মত প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন জনসন বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হলো ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক মজবুত করা। এজন্য আমরা ভারতে দ্রুত একটি ওপেন জেনারেল রপ্তানি লাইসেন্স আনতে চলেছি।”




