× Banner
সর্বশেষ
চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকে অভিনন্দন জানা‌লো বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানমন্ত্রীর সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় ২ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে রিজার্ভে – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় দ্যা নিউজ ডটকমের সড়কের আগাছা পরিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ শার্শার গোগায় ট্রাক্টর ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ মালয়েশিয়া সীমান্তে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসী আটক, বাংলাদেশি ৭৩ জন আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

কক্সবাজার-মানিকগঞ্জ রুটে লবণভর্তি ট্রাকে ইয়াবা

Dutta
হালনাগাদ: শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১

কক্সবাজার থেকে মানিকগঞ্জ রুটে লবণভর্তি ট্রাকে ইয়াবার চালান। রাজধানীতে ঢুকতেই গোয়েন্দাদের ব্যাপক তল্লাশির পরও ইয়াবা না পেয়ে ডাকা হয় ডগ স্কোয়াড। অবশেষে কে নাইন নামের বিশেষায়িত ডগ স্কোয়াড খুঁজে বের করে ইয়াবা।

ইয়াবা বহনকারী ট্রাকচালককে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ বলছে, কে নাইন ইউনিট যে কোনো স্থানে লুকিয়ে রাখা মাদকের সন্ধান দিতে পারে।

গোপন তথ্য ছিল লবণভর্তি এই ট্রাকটিতে ইয়াবার একটি বড় চালান আছে। সে অনুযায়ী রাজধানীতে প্রবেশের পর আটক করা হয় ট্রাকটি।

তন্ন তন্ন করে খোঁজা হলেও কোথাও নেই ইয়াবার অস্তিত্ব। তবে ইয়াবার চালান আছে ট্রাকটিতে গোয়েন্দারা তা নিশ্চিত।

অবশেষে ডাক পড়ে ডিএমপির ডগ স্কোয়াডের। কে নাইন নামের বিশেষায়িত ডগ স্কোয়াড নিয়ে আসা হয় ইয়াবা উদ্ধারে। পুলিশের প্রশিক্ষিত একটি কুকুর জব্দ ট্রাকটিতে সন্দেহজনক কিছুর অস্তিত্ব পায়।

প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় লবণের একটি বস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫ হাজার ইয়াবা। লবণভর্তি ট্রাকটিতে থাকা ইয়াবার চালানটি কক্সবাজার থেকে মানিকগঞ্জে যাওয়ার কথা ছিল।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আতিকুল ইসলাম জানান, ট্রাকটি আটকের পর চালকের কাছে জানতে চাইলে, সে কোনো উত্তর দেয়নি। এ জন্য ইয়াবার চালানটি প্রথমে খুঁজে পায়নি। পরে ডগ স্কোয়াডের সহায়তায় আমরা ১৫ হাজার পিস মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বলছে, মাদক কারবারিদের নিত্যনতুন কৌশল পরাস্থ করতে ডগ স্কোয়াডকে বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, ইয়াবার বেশি অংশ আসে টেকনাফ থেকে। আবার লবণ উৎপাদন হচ্ছে ওই এলাকায়। এই লবণ উৎপাদনের কৌশলেই তারা ইয়াবা সরবরাহ করছে। এ ছাড়া  নিত্যনতুন বিভিন্ন কৌশলে মাদকদ্রব্য পাচার করতেও দেখা গেছে তাদের। এসব কৌশল ধরতেই ডগ স্কোয়াডকে প্রশিক্ষণের আওতায় এনেছি।

মাদক ব্যবসায়ীদের কৌশল বদলের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের ধরতে কৌশলী হচ্ছে। তারপরেও থেমে নেই মাদকের চোরাচালান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..