বাংলাদেশকে না জানিয়ে সিমান্তবর্তী বাঁধ খুলে দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে ডুবিয়ে মারার প্রতিহিংসার মিশনে নেমেছে ভারত। এর খেসারত ভারতকে চরম ভাবে দিতে হবে। ভারতের এই বাঁধগুলো ২৪ ঘন্টার মধ্যে বন্ধ না করলে এই দেশের ২০ কোটি জনগন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদের সাথে ছাত্র জনতা নেতৃবৃন্দ।
২৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাজধানীর ভারতীয় হাই কমিশন ঘেরাও কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন। গণ অধিকার পরিষদের সাথে ছাত্র জনতা মার্চ টু ভারতীয় হাই কমিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন সেনাবাহিনীর কর্ণেল(অবঃ) মিয়া মোঃ মশিউজ্জামান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যের ডঙ্গুর নামক যে বাধ রয়েছে সেই বাধের প্রত্যেকটি গেট তারা খুলে দিয়েছে বাংলাদেশকে না জানিয়ে। এর ফলে এক ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে প্রায় এক কোটি মানুষ পানিবন্দি। ভারত বাংলাদেশকে না জানিয়ে তার সিমান্তবর্তী বাধ গুলো খুলে দিয়েছে। এই বাংলাদেশকে ভারত যদি খেলতে চায় তাহলে আমরা ভারতের সেভেন সিস্টারকে সুস্থ থাকতে দেবনা।
তারা বলেন, পরাজিত খুন হাসিনা এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র এর ষড়যন্ত্র অব্যহত রয়েছে। ভারত যদি বিন্দু পরিমাণ ষড়যন্ত্র ও নিলনকশা পাতানোর চেষ্টা করে প্রত্যেকেই ভারতের বিষদাঁত উপড়ে ফেলার প্রস্তুতি নিবেন।
আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেক সেক্টরে ভারতের আগাছা রয়েছে। এগুলো নির্মুল করতে হবে, ভারতের সাথে যেসব চুক্তি হয়েছে, সমস্ত চুক্তি ন্যয্যতার ভিত্তিতে নবায়ন করতে হবে, ভারতে কোন রাজনৈতিক কিংবা অংগসংগঠন বাংলাদেশে কাজ করতে পারবে না এরকম সাত দফা দাবি তুলে ধরেন।
ছাত্র জনতা বলেন, খুনি শেখ হাসিনাকে জায়গা দিয়ে ভারত বড় অপরাধ করেছে। এই খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দিন কারণ এই খুনি হাসিনার হাতে হাজার হাজার ছাত্র জনতার রক্তের দাগ রয়েছে। এই খুনি হাসিনাকে নিরাপদে রেখে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকতে দেওয়া হবে না।




