যুদ্ধাপরাধী কোনও দল বা তাদের উত্তরাধিকারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বিরত রাখতে হলে আইন এবং আরপিও সংশোধন করতে হবে। বিদ্যমান আইনে জামায়াত বা যুদ্ধাপরাধীর দলগুলোর নির্বাচনে দূরে রাখার কোনও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে (সিইসি) ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।
সেসময় কমিটির পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয় যে, জামায়াত যেন কোনও নামে এবং যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরাধিকারীরা যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে।
এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, বিভিন্ন আইন এবং আরপিও পর্যালোচনা করা হবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের মতামত নেয়া হবে। জামায়াত বা যুদ্ধাপরাধী কোনও দল যেন নাম বদল করে অন্য কোনও দলের নামে নির্বাচন করতে না পারে সে ব্যপারে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি প্রস্তাব করেছে। তারা যেন স্বতন্ত্র নির্বাচনও করতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতেও দাবি করেছে নির্মূল কমিটি।
এছাড়া জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যালঘুরা যেন নিরাপদে ভোট দিতে পারে এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যেন তাদের উপর কোনও রাজনৈতিক চাপ না আসে সেদিকে খেয়াল রাখার জন্যও নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছে। এছাড়া সংখ্যালঘু এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্যও দাবি জানিয়েছে।





