ঝিনাইদহ লেবুতলার জঙ্গী অস্তানায় দ্বিতীয় দিনের মত অপারেশন “সাটল স্প্লিট” শুরু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি॥ ৮ এপ্রিল’২০১৭: ঝিনাইদহের সদর উপজেলার লেবুতলা গ্রামের শরাফত হোসেনের অপর জঙ্গী আস্তানার বাড়িটি ঘিরে রাখার পর সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পুনরায় অপারেশন “সাটল স্পিøট” (Subtle split) শুরু হয়েছে। পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহম্মেদের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে আগত বোমা ডিসপজল ইউনিটের সদস্যরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছে। এ

র আগে  জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পেয়ে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও স্থানীয় পুলিশ রোববার সকাল থেকে বাড়িটি ঘিরে রাখে এবং সেখানে প্রাথমিক অভিযান চালিয়ে ৮টি বোমা, ১টি নাইন এমএম পিস্তল উদ্ধারের কথা প্রেস ব্রিফিং করে জানান ডিআইজি দিদার আহম্মেদ।  সে সময় তিনি বলেন, লেবুতলার অপারেশন আজকের মত শেষ হয়েছে। সেখান থেকে মৃত শরাফৎ হোসেনের দুই ছেলে শামীম (২২), হাসান (৩৫) কে আটকের কথাও জানান।

লেবুতলা গ্রামের হায়দার আলী জানান, মৃত শরাফৎ আলী প্রায় ২০ বছর আগে সদর উপজেলার কামারকুন্ডু এলাকা থেকে নেবুতলায় এসে বসবাস শুরু করেন। প্রায় ১০ বছর আগে মারা যান শরাফৎ হোসেন। শরাফৎ হোসেনের বড় ছেলে হাসান রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। আর ছোট ছেলে শামীম ঝিনাইদহ পলিটেকনিকে পড়াশোনা করে। তিনি আরো জানান, শরাফৎ হোসেনের দুই ছেলেই নামাজ পড়ে। তাদের দুইজনকে কখনো কোন আড্ডা দেওয়া দেখিনি।

জসিম উদ্দিন নামের অপর একজন জানান, শরাফৎ হোসেনের দুই ছেলে যে জঙ্গিবাদে জড়িত এটা পুলিশের অভিযান দেখেই টের পেলাম। এর আগে এমন কোন কার্যক্রম দেখিনি। শরাফৎ হোসেনের ছোট ছেলে শামীম অনেক মেধাবী ছেলে। পড়ালেখায় সে অনেক ভালো। আর বাবা শরাফৎ মারা যাওয়ার পর বড় ছেলে হাসান রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসারের হাল ধরেন।

উল্লেখ্য পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি দিদার আহম্মেদ মহেশপুরের বজরাপুর হঠাৎপাড়ার অপারেশন শেষে মহেশপুর থানায় প্রেস ব্রিফিংকালে জানান, বজরাপুরের অপারেশন শেষ। একই নামে আজ সোমবার সকালে সদর উপজেলার কুমড়াবাড়ীয় ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামে জঙ্গী আস্তানায় আবারো অভিযান শুরু হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।