বাংলাদেশ পরিবেশ-বান্ধব উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামো তৈরি করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার বাংলাদেশ, জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ জলবায়ু-সহিষ্ণু উন্নয়নের জন্য প্রতিবেশগত পদ্ধতি অন্যভাবে বললে প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। বলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহব উদ্দিন।
সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারী) কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠানরত জাতিসংঘের পরিবেশ পরিষদের পঞ্চম অধিবেশনে (ইউএনইএ -৫) তাঁর ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালী যোগদান করে পরিবেশ মন্ত্রী এসব কথা বলেছেন।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জলবায়ু, প্রকৃতি ও উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্ত করে ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বাংলাদেশ পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিষয়গুলিকে উন্নয়ন কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সরকার এবং জনগণ একসাথে কাজ করার মাধ্যমে এ সকল সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে।
পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, মহামারী-পরবর্তী সবুজ প্রকৃতি পুনরুদ্ধারের জন্য কোথায় সম্পদের যোগান দিতে হবে তা নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, প্যারিস চুক্তির ১.৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে প্রয়োজনীয় বৈশ্বিক প্রশমন পদক্ষেপের এক তৃতীয়াংশ সরবরাহের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থের ৩% এরও কম প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। আমরা যদি সবার জন্য পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াটি দ্রুত, সস্তা এবং সহজ করে তুলতে চাই তবে বিশ্বের সরকারগুলোকে অবশ্যই একসাথে কাজ করতে হবে।





